# পিশাচের অবয়ব #
# পিশাচের অবয়ব #

এক পিশাচের কান্না শুনি, মায়াকান্না, ঘরের কোণে। তার অতৃপ্ত মনের সুপ্ত বাসনা শূন্যে বিস্ময়কর জাল বোনে। আমি জানালা গলিয়ে দেখি তার চোখে জলের রেখা। আসলেই কি তার বিপদ! তার বুকের গভীরে কি রক্তক্ষরণ– কথাগুলো এত্ত দাগ কাটে!! নয়তো এত দ্যোতনা সৃষ্ট হয় কি করে!! নাওয়া ভুলে যাই, খাওয়া ভুলে যাই! আমি সান্ত্বনা দেই এগিয়ে চোখের জলটাও মুছি এইবার সৌম্য চেহারা একটু কুঁচকে যায়। জিজ্ঞেস করি এত্ত কান্নার উৎস কই? তার কথা বলার সময় খেয়াল করি তার চোখে ভয়ঙ্কর আগুন কান্না নয় ত্রাহি ত্রাহি চিৎকার! তার রক্তক্ষরণ এর দিকে তাকাই সেখান থেকে ঝরে তার ক্ষোভ আমি ক্ষোভের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে যাই। কথাগুলো বিষবাস্প হয়ে বিষাক্ত হয় বাতাস আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। দৌড়ে ঘরে ফিরি আমি। ঘরের খিল এঁটে ভয়ে কাঁপতে থাকি। এতো আর এক পিশাচ, যার লোমশ মুখটা রয়েছে ঢেকে। শিউরে উঠি, আশ্চর্য ক্ষমতায় বেঁচে যাই এই নতুন পিশাচের বিষবাণ থেকে! প্রতিজ্ঞা করি আর ভুলবনা মায়া কান্নায় কারণ সব পিশাচের একই অবয়ব। ১৭/০৭/২০১৭