তাঁর ভালবাসা বৃত্তান্ত
তাঁর ভালবাসা বৃত্তান্ত

জোৎস্না রাতের প্রতি আমার বরাবরই একটা টান আছে। আজকে চাঁদটা যদিও ঘোলাটে মেঘের আড়ালে কিছুটা লুকিয়ে ছিল, কিন্তু আলো বিচ্ছুরনে কমতি নেই।বাসার পুরোটা লন জুড়ে আবছায়া জোৎস্না। আমি একা একাই ঘুরছি। বাতাস জুড়ে দিয়েছে খেলা।বর্নণাতীত ভাললাগা। তাঁর আমার সাথে কখনো এই জোৎস্নারাতে বিলাস দূরে থাক গল্প করার সময়টা জোটেনা। আমি যেখানে থাকি তাঁর উল্টো জায়গায় থাকা চাই। এইবার ভাগ্য খুলেছে!! বেচারা এবার ফাঁকি দিতে পারেনি। আমি অনবরত হাঁটছি আর ক্ষন পার করছি। যথারীতি তিনি তারাবী নামায পড়ে আসলেন। চাবি ছুড়ে দিয়ে লনে চলে আসতে বললাম। একটা ভালবাসার শব্দ শুনলেও তো একটা গল্পের প্লট হয়। তিনি শুরু করলেন হৃদয় হতে উৎসরিত ভালবাসার গল্প।অনেক পুরনো গল্প। এইখানে আর্চ অব অ্যাওর্টা। তারপর লেফট সাবক্ল্যাভিয়ান আর্টারি, কমন ক্যারটিড আর ডানে ব্র্যাকিওসেফালিক। এর যে সাবক্ল্যাভিয়ান আর বামের সাবক্ল্যাভিয়ান আছে সেখান থেকে ভার্টেবাল মিলে ব্যাজাল। এরপর মগজে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন হৃদয়ের ভালবাসা। আমি প্রচন্ড হাসছিলাম..। হাসি দেখে তাঁর কথা ..তুমি না রেসিডেন্সী দিতে চাচ্ছ, একটু একটু করে পড়। ব্রেইন এনাটমীটা ভাল করে পড়। হাসছ ক্যান? আমি বললাম সার্থক এই রাত,,,এমন শীতল জোৎস্নারাতে ভালবাসা হার্ট থেকে ব্রেইনে।ভুলবনা তোমায়! এইবার তিনি বুঝতে পারলেন আমার হাসির কারণ। তিনিও হাসছেন... হাসছেন। আমিও হাসছি। এইরকম মানুষকে হাজার বছর ভালবাসলেও ক্লান্তি আসেনা। ৩/৬/২০১৭