সুপারমুন
কর্তা ঢাকায়, বাসায় আছি একা। বাচ্চাদুটো ঘুমিয়ে। পুরো ডুপ্লেক্স বাড়িতে শুনসান নীরবতা। দুদিন ধরেই সুপারমুনের কথা শুনছি। অথচ এখনো চাঁদ দেখা হলনা। একটু দ্বিধা নিয়ে দোতলায় দরজা খুলে লনে গেলাম। নিমিষেই ভয় উবে গেল। পুরোটা আকাশ জোস্নায় মাখামাখি। আমার ভাগ্যটাই এমন। উপভোগ্য সময়ে কর্তার দেখা পাওয়া ভার। পাশের প্রতিবেশী নবদম্পত্তি। আমাকে বড় বোনের মত সম্মান করে। নতুন বউকে চলে আসতে বললাম তার বরসহ। বললাম যত পার জোস্না বিলাস কর। লনের পুরোটা জুড়ে আলো ঝরছে। আমরা তিনজন লন থেকে লোহার সিড়ি বেয়ে টপ ছাদে উঠে গেলাম, উদ্দেশ্য চাঁদের আরো কাছাকাছি যাব। প্রায় এগারটা বাজে, সুপারমুনের সাথে ওদের কিছু ছবি রাখতে চাইলাম। ফটোগ্রাফি যে কি কঠিন হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। নতুন বধুঁর সাথে প্রাণ খুলে হাসলাম, কত্তদিন হয় খোলা আকাশের নীচে এইভাবে হাসিনা। একঘেয়েমির জীবনে এই ছোটখাট বিলাসগুলো মরচে পড়া রোধ করে। হয়তবা সুপারমুন শুধুই একটা নিউজ। কিন্তু নতুন করে সম্পর্কগুলো ঝালাই করার জন্য সুপারমুনের তুলনা নেই। p.c আনাড়ি ফটোগ্রাফার ডা: কানিজ।
November 15, 2016 at 4:04am ·




