জন্মদিন এক অন্য ভাললাগার দিন
জন্মদিন এক অন্য ভাললাগার দিন

এবার তুমি স্কুলে ভর্তি হয়েছ, যথেষ্ট বড় হয়ে গ্যাছ, তাইনা, সোনামা?এবার যদি তোমার বার্থডেতে কেইক, বেলুন না কিনে টাকাগুলো গরীব বাচ্চাদের দিয়ে দেই কিছু কেনার জন্য,খুব ভাল হবে " "হ্যাঁ! আমার বান্ধবীদের আজকে বাসায় আসতে বলবে কি?" "না, মা!তোমার বার্থডেতে ওদের আসতে বললে, ওরাও বার্থডে-র জন্য বায়না করবে, তখন আঙ্কেল আন্টিরা তোমাকে পঁচা বলবে আর বান্ধবীদের নিয়ে আমরাতো পিকনিক করি, আরো অনেক মজা করি, তাইনা"....এরকম কথোপকথনের পর আমাদের একটা সুযোগ এসে গেল। পাংশায় রেললাইনের ধারে পথশিশুদের নিয়ে একটা স্কুলে গড়ে উঠেছে -উজ্জীবক নামে। যে শিশুরা ঘুরে বেড়ায়, আর বড় হয়ে গড়ে উঠে চোর বা পকেটমার হিসেবে, কিছু বুদ্ধিদীপ্ত মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে সেইসব শিশুরা বেড়ে উঠছে সম্ভাব্য সব নাগরিক সুবিধা নিয়ে। কিন্তু প্রয়োজন অনেক অর্থনৈতিক সাপোর্ট। তাই কারো হাত বাড়িয়ে দেওয়া মানে, শিশুদের ঝরে পড়া বন্ধ করা। আমরা সেই স্কুলে অনেকটা সময় কাটালাম, ওদের সাথে নাস্তা করলাম। আর আমার মেয়ের জন্য বরাদ্দ টাকায় হয়তবা গড়ে উঠবে ওদের বসার বেঞ্চ বা প্রয়োজনীয় অন্যকিছু। আমাদের এই সুযোগ করে দিয়েছেন প্রাক্তন মহিলা ওয়ার্ড কমিশনার(যিনি আমাদের পাংশায় আসার পর থেকে সব সময়ই সাথে আছেন), মহিলা পরিষদের প্রধান এবং বোয়ালিয়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান(মহিলা)। মহিয়সী এই নারীদের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে রইল অকৃএিম ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা। নভেম্বর ১০, ২০১৬। ২:১৪ বিকেল